Chuadanga Scenery
Chuadanga is the first temporary capital of Bangladesh
শনিবার, ১৭ জুন, ২০১৭
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
শীতের সকালে গ্রামের দৃশ্য
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
শিক্ষাসামগ্রীতে ভারতীয় চ্যানেল
![]() |
| খাতাটির ছবি |
আমার বাড়ির পাশের একটি ছেলে অংক করার জন্য আজ সকাল বেলা আমার কাছে এসেছিল। অংক করতে গিয়ে আমার নজর পড়লো তার খাতার উপর, আমি দেখতেপেলাম তার খাতার উপর ভারতের টিভি চ্যানেল স্টার জলসার একটি নাটকের ছবি। খাতাটিদেখার পর আমি অবাক হলাম যে আমাদের এই দেশ যা স্বাধীণ করতে গিয়ে কত ভায়ের রক্ত ঝরেছে, কত ভাই জীবন দিয়েছে, কত মা বোনদের সম্মান গিয়েছে। আর সেই দেশের শিক্ষা সামগ্রীর উপর অন্য দেশের টিভি সিরিয়ালের ছবি, যা ব্যবহার করছে আমাদের দেশের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা। অবাক হবার বিষয় হলো এই গুলো নিয়ে কারোর মাথা ব্যাথা নেই। অথচ প্রায় দেখা যাই আমাদের দেশে স্টার জলসা, জি বাংলা, স্টার প্লাস ইত্যাদী ভারতীয় চ্যানেল দেখা কে কেন্দ্র করে অনেক পরিবারে ভাঙ্গন ধরেছে, পৃথক হয়েছে অনেক পরিবার, পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ছে অনেকেই সুধু তাই নয় এসব টিভি সিরিয়াল নাটকের অভিনেতা -অভিনেত্রী দের মডেলের পোশাক না পাবার জন্য আত্মহত্যা করেছে অনেকেই। আর সেই সব সিরিয়াল আজ আমাদের ঘর থেকে শিক্ষাঙ্গন পর্যন্ত পৌছে গেছে, এসব সিরিয়ালের ছবি বাচ্চাদের খাতার উপর ছাপানোর কারনে বাচ্চারা আকৃষ্ট হচ্ছে ভারতীয় মিডিয়ার প্রতি। যার কারণে ভরতীয় সংস্কৃতি ঢুকে পড়ছে আমাদের সমাজের ভিতর, আর আমাদের সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে সমাজ থেকে, তাই সুধী মহলের কাছে আমার দাবি এসব টিভি চ্যানেল বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করুন, সাথে সাথে ব্যবস্থা নিন ঐসব ছাপা কারখানাগুলোর প্রতি যারা এসব ছবি গুলো খাতার উপর ছাপাচ্ছে।
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
চুয়াডাঙ্গা জেলার ইতিহাস
চুয়াডাঙ্গার ইতিহাস সম্পর্কে গ্রীক ঐতিহাসিক গণ বলেছেন, চুয়াডাঙ্গা এলাকাতে বিখ্যাত গঙ্গারিডাই রাজ্য অবস্থিত ছিল। ব্রিটিশ শাসনামলে অনেক আন্দোলনের কেন্দ্র হিসেবে বেশ পরিচিত ছিল, বিশেষ করে ১৮৩১ সালে ওয়াহাবী আন্দোলন, ১৮৩৮-১৮৪৭ সালে ফরায়েজি আন্দোলন, ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ, ১৮৫৯-১৮৬০ সালে নীল বিদ্রোহ, ১৯২০ সালে খেলাফত আন্দোলন, ১৯০৬ সালে স্বদেশী আন্দোলন, ১৯২০-১৯৪০ সালে অসহযোগ আন্দোলন, ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলন।
ব্রিটিশ শাসন আমলে চুয়াডাঙ্গা জেলা নদিয়া জেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্ভূক্ত হয়। পরে ১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে পৃথক করে চুয়াডাঙ্গাকে স্বতন্ত্র জেলায় মর্যাদা দেওয়া হয়।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময় বাংলাদেশের গুরুত্বর্পূণ স্থান গুলোর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা একটি, এখানে শতাধিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধের সর্বপ্রথম কমান্ডার, দক্ষিণ পশ্চিমম এলাকায় কমান্ডার গঠিত হয়েছিল এ জেলায়, মেজর আবু ওসমান এবং ডাঃ আসহাব-উল-হকের নেতৃত্বে। বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটিও এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়
চুয়াডাঙ্গাতে ১০০ বারের বেশি পাক ও মুক্তিবাহিনির মদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধের কথা ইতিহাসে নথিভূক্ত আছে। নথি অনুসারে ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর তারিখে পাকিস্তানীদের হাত থেকে চুয়াডাঙ্গাকে মুক্ত করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ চলকিালিন সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার চুয়াডাঙ্গাকে গনপ্রজাতন্ত্রীক বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোসনা করে ।
-------------------------------------------------------------------------মাজিদ
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৫
চুয়াডাঙ্গা জেলা
চুয়াডাঙ্গা জেলা,
চুয়াডাঙ্গা জেলা, বাংলাদেশের অন্যতম জেলার মধ্যে একটি। যা অবস্থান করছে বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলে। যাহার আয়তন ১১,৭৪,১০ বর্গকিলোমিটার। এই জেলায় মোট ৪ টি থানা, ৪ টি পৌরসভা, ৩৫ টি ইউনিয়ন এবং ৫১৪ টি গ্রাম আছে,। এই জেলায় বাস করে প্রায় ১১,২৯,০১৫ জন মানুষ । এই জেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী, আর চুয়াডাঙ্গার প্রধান অর্থকরী ফসল ধান। চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১ টি বিশ্ববিদ্যালয় সহ ১৯ টি কলেজ, ৪০ টি মাদ্রাসা এবং ২৫৮ টি স্কুল রয়েছে। এই জেলার অধিকাংশ মানুষ মুসলমান, তাছাড়া এ জেলায় কিছু হিন্দু ও খ্রীষ্টান ধর্মের মানুষ বসবাস করে। এই জেলায় মোট ৩৫৫৪ টি মসজিদ, ২১৮ টি মন্দির এবং ১৩ টি গীর্জা আছে । চুয়াডাঙ্গা জেলার বুক চিরে বয়ে গেছে অনেক নদী যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নদী হলো মাথাভাঙ্গা, ভৈরব, কুমার, চিত্রা এবং নবগঙ্গা। চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আটকবর, দর্শনা চিনিকল, হাজার দুয়ারি স্কুল এবং ঠাকুরপুর মসজিদ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)



